Matir Shadh
Beetroot + Chia seed + Rosella Tea Combo
Beetroot + Chia seed + Rosella Tea Combo
✅রোজেলা টি - ২০০ গ্রাম
✅স্প্রে ড্রাইড বিটরুট পাউডার - ২০০ গ্রাম
✅চিয়া সিড - ৫০০ গ্রাম
Couldn't load pickup availability
Rosella Tea (রোজেলা টি) তৈরি করা হয় ১০০% প্রাকৃতিক হিবিসকাস ফুলের শুকনো পাপড়ি দিয়ে। উজ্জ্বল লাল রঙ, টক-মিষ্টি স্বাদ এবং সতেজ ফুলের সুবাসে ভরপুর এই হারবাল চা প্রতিদিনের জন্য এক অনন্য স্বাস্থ্যকর অভিজ্ঞতা।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ
- টক–মিষ্টি সতেজ স্বাদ।
- প্রাকৃতিক উজ্জ্বল লাল রঙ ও ফুলেল ঘ্রাণ।
- হিবিসকাস ফুলের শুকনো পাপড়ি থেকে তৈরি।
- অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ।
- কোনো কৃত্রিম রং, ফ্লেভার বা প্রিজারভেটিভ নেই।
🔬 কেন এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী? (Scientific Evidence)
আমরা কেবল কথার কথায় বিশ্বাসী নই। রোজেলা টি-এর প্রতিটি গুণাগুণের পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
১. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ (Hypertension Management):
Science: গবেষণায় দেখা গেছে, রোজেলা ফুলে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন (Anthocyanins) এবং ফেনোলিক অ্যাসিড রক্তনালীকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে। Journal of Nutrition (2010)-এর একটি মেটা-অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, নিয়মিত হিবিসকাস চা পান করলে সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
২. শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (Powerhouse of Antioxidants):
Science: এটি ফ্রি র্যাডিক্যাল (Free Radicals) ধ্বংস করতে গ্রিন টির চেয়েও বেশি কার্যকর হতে পারে। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে কোষের বয়সের ছাপ পড়া ধীর করে।
৩. ওজন ও ফ্যাট নিয়ন্ত্রণ (Metabolism & Weight Loss):
Science: রোজেলা টি-তে থাকা নির্যাস শরীরে অ্যামাইলেজ (Amylase) এনজাইম উৎপাদনে বাধা দেয়, যা কার্বোহাইড্রেট এবং স্টার্চ শোষণের হার কমায়। ফলে এটি প্রাকৃতিক ফ্যাট বার্নার হিসেবে কাজ করে।
৪. লিভারের সুরক্ষা (Liver Health):
Science: এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান লিভারের চর্বি জমতে বাধা দেয় এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে (Detoxification) সাহায্য করে।
৫. ত্বক ও ইমিউনিটি (Skin & Immunity):
Science: এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি (Ascorbic Acid), যা শরীরে কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
খাওয়ার নিয়ম
-
গরম চা হিসেবে: ১–২ চামচ রোজেলা ফুল গরম পানিতে ৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে পান করুন।
ঠান্ডা পানীয় হিসেবে: বরফ, লেবু ও মধুর সাথে মিশিয়ে কুল ড্রিংক হিসেবে উপভোগ করুন। - ফ্লেভার ড্রিঙ্কে: অন্যান্য হারবাল চা বা জুসের সাথে মিশিয়ে পান করা যায়।
সংরক্ষণ ও মেয়াদ (Storage & Shelf Life)
- শুকনো, ঠান্ডা ও অন্ধকার স্থানে সংরক্ষণ করুন।
-
সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে রাখুন।
সবসময় এয়ারটাইট কন্টেইনারে রাখুন। - প্রোডাকশনের তারিখ থেকে ১৮-২৪ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।(খোলা প্যাকেট হলে ৬–১২ মাসের মধ্যে খাওয়া উত্তম)
স্প্রে-ড্রাইড বিটরুট পাউডার (Spray Dried Beetroot Powder) হলো বিটরুটের রসকে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শুকিয়ে গুঁড়ো করে তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি “স্প্রে ড্রায়িং” নামে পরিচিত, যেখানে বিটরুটের তরল নির্যাসকে উচ্চ তাপমাত্রায় স্প্রে করা হয়, যা দ্রুত এটিকে পাউডার আকারে পরিণত করে। এই পদ্ধতিতে বিটরুটের প্রাকৃতিক পুষ্টিগুণ, ভিটামিন, খনিজ এবং এর উজ্জ্বল লাল রঙ প্রায় অক্ষুণ্ণ থাকে, যা সাধারণ শুকানোর পদ্ধতির ক্ষেত্রে অনেক সময় নষ্ট হয়ে যায়।
কেন বিটরুট পাউডার স্বাস্থ্যকর?
বিটরুট পাউডার (Beetroot Powder) আজকাল স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিটরুট পাউডার হল বিটের শুকনো এবং গুঁড়া করা রূপ, যা শরীরের জন্য উপকারী বিভিন্ন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রাকৃতিক নাইট্রেট যা আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক। এই প্রাকৃতিক উপাদানগুলো রক্ত পরিশুদ্ধকরণ থেকে শুরু করে শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর হওয়ায়, বিটরুট পাউডার খাবারে যোগ করার মাধ্যমে শরীরের জন্য নানা রকম উপকার পাওয়া যায়।
স্প্রে-ড্রাইড বিটরুট পাউডারের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: বিটরুটে থাকা নাইট্রেট শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়, যা রক্তনালীগুলোকে শিথিল ও প্রসারিত করে। এর ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
- শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি: এটি শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়াতে সাহায্য করে, যা শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়ামের সময় কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
- যকৃতের স্বাস্থ্য: এতে থাকা বিটাইন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লিভারকে ডিটক্সিফাই করতে এবং ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
- রক্তশূন্যতা দূরীকরণ: বিটরুটে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে এবং রক্তশূন্যতা প্রতিরোধে কার্যকর।
- হজম উন্নত করা: এতে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
- ত্বকের স্বাস্থ্য: বিটরুটের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
খাওয়ার নিয়ম ও পরিমাণ
- সাধারণত দিনে ১-২ চা চামচ বিটরুট পাউডার খাওয়া নিরাপদ, তবে এটি ধীরে ধীরে শুরু করা ভালো।
- বিশেষত সকালে বা ব্যায়ামের আগে খেলে সর্বাধিক উপকার পাওয়া যায়।
এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে সহজেই আপনার দৈনন্দিন ডায়েটে বিটরুট পাউডার যুক্ত করতে পারবেন। এটি শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
কীভাবে বিটরুট পাউডার সংরক্ষণ করবেন?
বিটরুট পাউডার সাধারণত শুকনো ও ঠান্ডা স্থানে সংরক্ষণ করতে হয়। এটিকে সিল করা পাত্রে সংরক্ষণ করুন যাতে এর তাজা গন্ধ ও রং বজায় থাকে।
ব্যবহারবিধি ও উপসংহার
বিটরুট পাউডার যেকোনো পানীয়, স্মুদি, স্যুপ, সালাদ বা অন্যান্য খাবারে সহজে মিশিয়ে নেওয়া যায়। এটি শরীরকে শক্তি এবং সুরক্ষা প্রদান করে এবং নানা স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। বিটরুট পাউডার আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে সহজেই যোগ করা যায় এবং এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এটি একটি প্রাকৃতিক শক্তি ও পুষ্টির উৎস হিসেবে পরিচিত। সুতরাং, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও সুস্থ শরীরের জন্য বিটরুট পাউডার আপনার ডায়েটে যোগ করা অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।
চিয়া সিড অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। চিয়া সিডে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালংশাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩। তাই আপনার খাদ্য তালিকায় সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন চিয়া সিড রাখতে পারেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে বা যারা ব্যায়াম করেন, তারা ব্যায়ামের ১ ঘণ্টা পর চিয়া সিড খেতে পারেন।
চিয়া সিড কী
চিয়া বীজ হচ্ছে সালভিয়া হিসপানিকা নামক মিন্ট প্রজাতির উদ্ভিদের বীজ । এটি মূলত মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোর মরুভূমি অঞ্চলে বেশি জন্মায়। প্রাচীন অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায় এটি অন্তর্ভুক্ত বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করে থাকেন। চিয়া সিড দেখতে কালো রঙের এবং তিলের মতো ছোট আকারের। প্রতি ১০০ গ্রাম চিয়া সিডে ৪৮৬ ক্যালোরি থাকে।
চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা গুলো হলো:
- চিয়া সিডে আছে ওমেগা-৩, যা হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে।
- চিয়া বীজ ওজন কমাতে সহায়তা করে।
- চিয়া সীড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে।
- এটা শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, ফলে ডায়াবেটিস ঝুঁকি কমায়।
- চিয়া বীজ হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারি।
- চিয়া সিড মলাশয় (Colon) পরিষ্কার রাখে, ফলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
- চিয়া সিড শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দেয়।
- চিয়া সীড প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে।
- চিয়া সীড ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে।
- চিয়া বীজ ক্যান্সার রোধ করে।
- চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে।
- চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে।
- চিয়া সিড ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে।
চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
এক গ্লাস পানিতে দুই চামচ চিয়া সিড, একটু মধু ও একটু লবণ মিশিয়ে সহজেই সরবত বানিয়ে খেতে পারেন চিয়া সিড। চাইলে ওটস, পুডিং, জুস, স্মুথি ইত্যাদির সঙ্গে মিশিয়েও খেয়ে নেয়া যায়। এ ছাড়া কেউ চাইলে টকদই, রান্না করা সবজি বা সালাদের ওপরে ছড়িয়েও খেতে পারেন। স্বাভাবিক পানি কিংবা হালকা কুসুম গরম পানিতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখবেন চিয়া সিড। এরপর সকালে খালি পেটে খেতে পারেন। আবার ঘুমানোর আগেও এটি খাওয়া যায়।
ওজন কমাতে চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম
চিয়া সিডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শরীরের মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে এবং এর প্রভাবে দ্রুত ওজন কমতে সহায়তা করে। চিয়া সিডের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। ফলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত খিদে পায় না। স্ট্রেস কমাতেও সাহায্য করে এটি। সুষম আহার, স্ট্রেস কম থাকলেই শরীর সুস্থ থাকবে। আর চিয়া সিডের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন। যা পেটের চর্বি কমাতেও সাহায্য করে।
পানি বা দুধে সারা রাত চিয়াবীজ ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন। এ ছাড়া সালাদ, স্যুপ, ওটস অথবা যেকোনো জুসের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন এই বীজ।
চিয়া সিড রয়েছে প্রচুর আঁশজাতীয় উপাদান, যা খেলে আপনার পেট ভরা মনে হবে। এর ফলে ক্ষুধা কম লাগবে। চিয়া সিডের সঙ্গে পানি মেশালে আয়তনে কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই প্রতিদিন পরিমাণ মতো চিয়া সিড খেলে ক্ষুধা কম লাগবে এবং এর উপাদান গুলো ওজন কমাতে সাহায্য করবে।
চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ
বীজ জাতীয় যেকোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি। চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। কারণ, এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক এসিড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।
